Header Ads Widget

Responsive Advertisement
Welcome to Our Website! Check out our latest news and bulletins.

একটি শীতের সকাল

 


বাংলায় লরেম ইপ্সাম

লরেম ইপ্সাম ডলর সিট আমেত, কনসেক্টেচুর অ্যাডিপিস্কিং এলিট। নানসি আল্ট্রিচিস ভ্যারিয়াস আউগিউ ইউ ফ্যাউসিবাস। ইন প্যালেনটেস্কিউ আউগিউ নন নিকিউ টেম্পর ট্রিস্টিক। নিউলা এ পিউরাস অরনারে, ম্যাটুস এনিম স্যাড, ম্যাক্সিমাস মি। ডোনেক পোর্টা রিউট্রাম ডিগনিসসিম। ডোনেক ভাইটা ইরস এলিকুয়াম, রিউট্রাম রাইসাস এট, পরতিটর লরেম। আয়েনান স্যাড এনিম লুকাস। সেড ইয়াকিউলাস এরাট আইডি ম্যাক্সিমাস হেন্ড্রেরিট। নিউলাম এ এফিকিটার ইরস। স্যাড ইউ টিনসিডান্ট ফেলিস, এ অ্যাকিউমসান এক্স। নাম ট্রিস্টিক ভলুটপাত নিসি এট অরনারে। ফিউস্ক ইন টার্পিস কুয়াম। মরবি সাগিটিস ল্যাকটাস ইএস্টি, ভিটায়ে উলামকর্পার নিউলা আলিকেট ভেল। ইন হ্যাক হ্যাবিটাসসে প্ল্যাটিয়া ডিস্কটামস্ট

প্রোইন এ ভেস্টিবিউলাম এনিম। ফিউস্ক কুইস কঞ্জিউ আন্তে। নানসি ফাউসিবাস এক্স ইউট প্রিটিয়াম ইউসমড। ইন ইউ অ্যালিকুয়াম লরেম, ইগেট রিউট্রাম ইপ্সাম। ইন নন উক্ট্রিচেস লিগুলা। ইন্টিজার লাওরিট ফ্রিঞ্জিলা টরটর, ইগেট সাগিটিস উর্না। উট ভিভের্রা ডিগ্নিসসিম এলিট কুইজ কনসেকাট। ভিভামাস এসি ম্যাক্সিমাস ডুয়ি, কুইজ ভেনেনাতিস পিউরাস। আএনিয়ান ভিটায়ি ল্যাকিউস নন নিকিউ লাওরিট ফারেটা ভাইটা এট মাসসা। ক্রাস ডিক্টাম ইরাট আইডি ল্যাকিউস ভলিউপাট, নিক পেলেন্টেস্কিউ সেম মালেসিউডা। ক্রাস ফাউচিনাস মলিস ভেলিট ইগেট সলিসিউশুডিন।

প্রেজেন্ট ব্লান্ডিট স্যাড ফিউগাট কনসেক্টেচুর। ইন সিট আমেত সাসচিপিট নিসল। নিউলাম কারসাস, নিকিউ নন ইউসমড সডালেস, ওদিও এলিট ইয়াকিউলিস এক্স। এগেত ইমপেরডিয়েট নিউলা ভেলিট ইগেট দুই। প্রেসেন্ট ইউকালিস, এনিম ইগেট প্লেসেটার টিনচিডান্ট, মেটাস জাস্টুম আইডি ফিনিবাস আরকিউ কনসেকাট এট। প্রোইন ডাপিবাস প্লেসেরাট পিউরাস এট কারসাস। মাউরি ভিটায়ি লাউরিট নানসি, ইউ ইউয়াকিউলিস টারপিস। নানসি ইউ রিউট্রাম রাইসাস। স্যাড সাগিটিস ভিভেররা লরেম স্যাড ডিগ্নিসসিম। প্রেসেন্ট ভলাটপাট ইউলাম কর্পার এক্স এট ডিকটাম। ইন ভেল এস্ট ডিয়াম। লরেম ইপ্সাম ডলর সিট আমেত, কনসেক্টেচুর অ্যাডিপিস্কিং এলিট।

নিউলাম মালিসুয়াডা কুয়াম ফ্রিঞ্জিলা, কনভালিস লিগুলা এট, কমান্ডো উরনা। সিড মালেসুয়াডা লেক্টাস ইউ লিবেরো রিউট্রাম আল্ট্রিচিস। প্রৈন লাওরিট টরটর ভিটায়ি সেলেরিস্কিউ লাচিনিয়া। মর্বি ডিকটাম এসি এক্স এ অক্টর। আলিকুয়াম প্লেসারাট নিউলা আইডি ইএস্টি এফিকিউটার অক্টর। মাউরিস নন আলিকুয়েট দুই। নিউলা ন্যাক লাকুস ফেলিস। প্যালেন্টেস্কিউ স্যাড পিউরাস ইন আনতে ইয়াকুলিস আল্ট্রিসেস। আয়েনিয়ান ভারিউস, আন্ত্রে এ ভেহিকিউলা ডাপিবাস, ফেলিস লিগুলা ফেরমেন্টাম নিকিউ, ইন লাকটাস টেলাস মারিউস ইউট কুয়াম। মায়েসেনাস সেম্পের কনগিউ ইন্টেরদাম। মায়েচেনাস কমোডো, রিউয়াস সিট আমেট আলিকেট সাসসিপিট, জাস্টো লেক্টাস মোলিস কুয়াম, ইগেট কনসেকাট টেলাস জাস্টু কনডিমেন্টম। ডুইস এ লিবেরো ইউট লিবেরো মাটিস রিউট্রাম এড এসি নিকিউ। আএনিয়ান এট ইরোস টেলাস।

অ থ বা

একটি শীতের সকাল

আজ সকালে ঘুম থেকে জেগেই দেখি সমস্ত আকাশ কালো মেঘে ভরে গিয়েছে। চারদিকে ঘোলাটে অন্ধকার। সারাটা দিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। যতদূর দৃষ্টি কেবল সজল-কাজল মেঘের আনোগোনা। দুপুর না গড়াতেই টাইপরাইটারের শব্দের মতো ঝাঁজালো বৃষ্টি নামল আমাদের টিনের চালে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির ধারাও যেন বেড়েই চলছে, থামাথামি নেই। ক্যালেন্ডারের দিকে তাকিয়ে দেখি, আজ শ্রাবণ মাসের দুই তারিখ। বর্ষার মাঝামাঝি, এ সময় তো বৃষ্টি হবেই।

বিকেলের দিকে বৃষ্টির ধারা একটু হালকা হলেও সন্ধ্যার আগমুহূর্তে ঝুম ঝুম বৃষ্টি শুরু হলো। এই বর্ষণমুখর শ্রাবণসন্ধ্যায় অলস ভাবনায় কেটে যায় সময় সামনে পরীক্ষা, টেবিলে বই, কিন্তু পড়ায় মন বসছে না অবিরল ধারায় বৃষ্টি ঝরছে। টিনের চালে যেন বর্ষাকন্যা নৃত্য করে চলছে। সেই একটানা বৃষ্টির নূপুর-নিরুণ আমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যায়।

সব কাজ ফেলে আপন মনে প্রকৃতিকে দেখা আর কী এক আকুলতায় নিজেকে আচ্ছন্ন রাখা। হয়তো কবি না হলে বর্ষার দিনের এমন মুহূর্ত অন্তর দিয়ে অনুভব করা যায় না। এ সন্ধ্যায় মনটা যেন উতলা হয়ে উঠেছে। আমাকে অন্যমনস্ক করে তুলছে বৃষ্টির একটানা সুর। মনের ভেতর নানারকম ভাবনা ঢেউ খেলে যাচ্ছে। সে অনুভূতির কোনো স্পষ্ট রূপ নেই, নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই।

রিমঝিম রিমঝিম বৃষ্টির একটানা শব্দ আজ মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। জানালার পাশে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনছি। মাঝে মাঝে মেঘের গুরুগুরু গর্জন, গাছের ডালে বাতাসের ঝাপটা কানে বাজে। হঠাৎ বাজ পড়ার প্রচণ্ড শব্দে চমকে উঠি। আজ নিশ্চয় রাস্তায় জনমানব নেই। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালাম। বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, অন্ধকারে ভালো করে কিছু দেখতে পেলাম না। হারিকেনের আলো একটু বাড়িয়ে দিলাম তখনো ঝর ঝর করে অবিরল ধারায় বৃষ্টি করছে। একবার ভেবেছি একাগ্রচিত্তে পরীক্ষার পড়া পড়ব কিন্তু বইয়ের পাতায় কিছুতেই মন বসছে না। মনের মধ্যে তত্ত্বকথা উঁকি দেয়। জীবনটাকে সফল করার দুর্বার সাধনায় নামতে হবে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তাও ভাবনায় আসে।

ও ঘর থেকে মা ডাকছেন—'আয়, খোকা, নাশতা খেয়ে যা। ঘরে মোমবাতি নেই, এই-ই সম্বল। অগত্যা উঠতে হলো। বাবা, আমি, টুম্পা, আর ছোটমামা মোমের আলোতে গরম গরম চা আর ঝালমুড়ি খেতে বসেছি। টুম্পা বলল, মামা এই অন্ধকারে বৃষ্টির দিনে ভূতের গল্প ভালো জমবে। ভাত খেয়ে চল ভূতের গল্প শুনি।' আমিও বললাম, হ্যাঁ মামা ভূতের গল্প বল।' ছোটমামা গল্প শুরু করলেন। কখনো ভূতের মতো নাকি সুরে, কখনো ফিসফিসে গলায়, কখনো জলদগম্ভীর কন্ঠস্বরে পরিবেশ বেশ ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ভৌতিক ঘটনার বর্ণনা শুনে আমাদের গা ছমছম করে উঠল। টুম্পা ইতোমধ্যে কাঁথার আড়ালে মুখ লুকিয়ে ফেলেছে। গল্পের এক রোমাঞ্চকর মুহূর্তে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলে । বাইরে তখনো তুমুল বৃষ্টি। নরম বিছানায় অলস ঘুমের মায়া কাটিয়ে আর কতক্ষণ দূরে থাকা যায়।

বর্ষণমুখর সন্ধ্যা কেটে যায়। শ্রাবণের বৃষ্টির ধারা তখনো থামে না। বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আমি একসময় ঘুমের আয়োজন করি। বর্ষার জলতাণ্ডব তখনো কানে বাজে। ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখি, জলপরীরা নৃত্য করছে সারা আকাশ জুড়ে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ